একাকী একজন -এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

উপরের শিরোনাম দেখে কি চমকে উঠেছেন ?
হয়তো চমকে উঠেছেন, কিংবা কৌতুহল হয়েছে অথবা মনের ভিতর ঘৃনা জমেছে সমকামী নাম শুনে।
যাই মনে হোক না কেন , আমি একজন সমকামী। জানি, সমাজে সবাই থু থু দিবে সমকামী জানলে, পরিবার হয়তো মানতে চাইবে না। বন্ধুরা কষ্ট পাবে, এমনকি বন্ধুত্বও ছুটে যেতে পারে। কিন্তু আর সবার মতন যদি আমিও আমার এই পরিচয় গোপন রেখে সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলি, কেউ বুঝবে না । কেউ জানবেও না । ভালোবাসা অটুট থাকবে সবার।
কিন্তু আমার ভিতরেও ফেনিয়ে উঠে না বলা কথা, এই সমকামী জীবনের কষ্টের কথা, ভালোলাগা-ভালোবাসার কথা। সমকামী হলেও আমরা তো দানব নই, অস্বাভাবিক কোন প্রাণী নই। যতটুকু জেনেছি, কেউ স্বেচ্ছায় সমকামী হয় না, এটা জন্মের আগেই, মায়ের গর্ভে থাকার সময়েই নির্ধারিত হয়। প্রকৃতির কোন ভুলে যদি আমরা সমকামী হয়ে থাকি , সেখানে আমাদের দোষ কোথায় ?
অনেকে ধর্মের নামে ছি ছি করবেন। অথচ আমরা ভুলে যাই, ধর্ম আমাদের জন্য, আমরা ধর্মের জন্য না। কেউ কেউ বলে পাশ্চাত্য থেকে এই কালচার আমদানী করা। অথচ এটা এই ভুখন্ডে অনেক আগে থেকেই ছিল, এখনো আছে। আগে কেউ জানতে পারতো না , কথা বলার কোন জায়গা ছিল না, সবার সাথে মিশে থাকতো এই সমকামীরা, এখন যেমন আছে।
সামাজিকতা রক্ষার জন্য অনেকে বিয়ে করে, সন্তান নেয়। কিন্তু তবুও পারে না ভিতর থেকে এটা মুছে ফেলতে। মুছে ফেলা সম্ভবও না কারন ডি এন এ বা জেনেটিক কারনে যে সমকামী, বিয়ের মত সামাজিক বন্ধন দিয়ে কি তা পালটানো যায় ? এটা প্রকৃতি বিরুদ্ধ কোন আচার নয়, কেননা , প্রকৃতি তাঁর বিরুদ্ধে কোন কিছুই সে রাখেনা, ধ্বংস করে ফেলে।
এটা প্রকৃতিবিরুদ্ধ হলে অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত ।
এইটা কী জোক , না হিট বাড়ানোর চেষ্টা ???
আর সত্যি হয়ে থাকলে কী বলা উচিত বুঝতেসি না ।
লেখকের মন্তব্য
জোকস্ না, হিট বাড়ানোর ইচ্ছাও না।
সত্য কথা।
সমকামীতার অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হল জেনেটিক - আরো সঠিক করে বললে, ক্রোমসোমাল। এছাড়া হরমোনজনিত সমস্যা থেকেও হতে পারে। এসব কিছু ছাড়াও, বয়ঃসন্ধিকালে পারিপার্শ্বিক ঘটনার প্রভাবে মানসিক গড়ন বা মানসিকতার স্বাভাবিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হলেও এমনটা হতে পারে। এজন্য কাউকে ঘৃণা করবার কিছু নেই। কোন শিশু জন্মান্ধ হলে সে সবার সহানুভূতি লাভ করে, অথচ সমকামী মানুষের প্রতি একটা অর্থহীন অযৌক্তিক ঘৃণা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। মানসিক বিকাশজনিত বাধার কারণে যে সমকামীতা, তার সমাধান আছে, চিকিৎসা আছে। হরমোনজনিত সমস্যার সমাধানের কথা সঠিক এবং বিস্তারিত জানা নেই। তবে বাকি দুটোর ক্ষেত্রে বিজ্ঞান এখনও অসহায়।
যে দেশে "যৌনতা" শব্দটা উচ্চারণ করলেই কী যেন একটা অশুভ, অপবিত্র, অস্বাভাবিক ইঙ্গিত খুঁজতে থাকে মানুষ, সেখানে ঐ যৌনতা সংশ্লিষ্ট সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা মোটেই অস্বাভাবিক নয়। সমকামী মানুষকে ঘৃণা বা করুণা - কোনটাই করবার প্রয়োজন নেই। আপনি এটুক জানুন, আপনিও ঈশ্বরের সৃষ্টি - কাম যা-ই হোক, আপনার পরিচয় আপনি একজন মানুষ। এই পরিচয় নিয়েই মাথা উঁচু করে বাঁচবেন। সমকামীতা বা ভিন্নগামীতা - কারো ব্যক্তিগত জীবনের অংশ। ও নিয়ে অহেতুক মাথাব্যাথা কিম্বা ঐ ইস্যু নিয়ে কারো আগাগোড়া ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করা - মনের দীনতাকেই প্রকাশ করে।
আর হ্যাঁ, আপনার সমকামীতা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়, ও নিয়ে ভারাক্রান্ত হওয়ারও যেমন প্রয়োজন নেই, তেমনি ঢাক ঢোল পেটানোরও দরকার নেই। তবে হ্যাঁ, এজন্য যদি অন্যায়ভাবে আপনার স্বাভাবিক সামাজিক জীবন বিপন্ন হয়, তখন অবশ্যই মুক্তকন্ঠে আওয়াজ তুলবেন - দেখবেন, সমাজ থেকে বিবেকবান মানুষ এখনও ফুরিয়ে যায়নি।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ , আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ঢাক ঢোল না পিটাই, অন্ততঃ মনের কথা গুলো বলতে পারলেই খুশী। বলতে না পারার যন্ত্রণা থেকে একটু মুক্তি তো মিলবে ।
হুঁ, এজন্যই বলছি,
প্রতিটা মানুষ স্বতন্ত্র, প্রতিটা মানুষের নিজস্ব সমস্যা-শক্তিমত্তা-ভিন্নতা-দৃষ্টিভঙ্গী আছে। জাতিগত, বর্ণগত, লৈঙ্গিক, পেশাগত - এসব তার সম্পূর্ণ পরিচয়ের অংশ মাত্র। একদম সরল করে বললে, স্কুল ছুটির পর ধুম বৃষ্টিতে হুল্লোড় করে মাঠে নেমে গিয়ে ফুটবল খেলতে গেলে একজন ছেলে, নাকি মেয়ে, নাকি উভ অথবা ক্লীব - সেটা বিবেচ্য হওয়া উচিৎ নয়। লৈঙ্গিক পরিচয় যেন কারও স্বাভাবিক জীবনের গতিপথকে ব্যহত না করে - এটাই প্রত্যাশা।
শব্দ ভাইরে ভোটাপ!
শব্দপুঞ্জ ভাইয়া দারুণ বলেছেন।
এই কারণগুলোকে সমস্যা বলা কি ঠিক? এইগুলা জীববৈচিত্র্যের কারণেই ঘটবে। প্রথাগত না হলেই সেটা সমস্যা?
সমকামিতাকে স্বাভাবিক যৌনপ্রবৃত্তি ভাবতে অসুবিধা কোথায়? এইটা রিভার্ট করানোর দরকার কি?
লেখকের মন্তব্য
এইটা কে আসলে না জেনেই সমস্যা মনে করে ।
অনিক ভাইয়ার সাথে একমত । অনেকদিন পর চতুরে এসে এরকম পোস্ট এবং তাতে সবার পজিটিভ মনভাব দেখে খুবই ভাল লাগল।
লেখকের জন্য শুভকামনা ।
অনীক ভাই, প্রশ্নটির জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু, এক্ষেত্রে আমার কিছু প্রশ্ন আছে। প্রথমেই জানতে চাইব, 'স্বাভাবিক' কাকে বলে? যা কিছু প্রাকৃতিক নিয়মে ঘটে, তার সবই যদি স্বাভাবিক হয়, তাহলে অটিজমও স্বাভাবিক, নিম্ফোম্যানিয়াও স্বাভাবিক, ক্লাইনফেল্টার সিন্ড্রোমও স্বাভাবিক, টার্নার সিন্ড্রোমও স্বাভাবিক, থ্যালাসেমিয়া, সিকল সেল অ্যানিমিয়া, ডাউন সিন্ড্রোম - সবকিছুকেই - এক কথায়, যত জেনেটিক ডিজঅর্ডার আছে, সবকটাকেই স্বাভাবিক বলতে হয়। কারণ সবই যে প্রাকৃতিকভাবেই হচ্ছে! কিন্তু আসলে ব্যাপারটা তো তেমন না, তাই না?
মাতৃগর্ভে শুক্রাণু যখন ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তখন তৈরী হয় জাইগোট - যেটাকে আমরা সহজ বাংলায় ভ্রূণ বলি। ঐ ভ্রূণের দুটো অংশ - কর্টেক্স এবং মেডালা। যদি নিউক্লীয়ার সেক্স পুরুষ (একটি এক্স এবং একটি ওয়াই ক্রোমজোম) হয়ে থাকে, তাহলে মেডালা বিকশিত হয়, আর নিউক্লীয়ার সেক্স মহিলা হলে (দুটোই ওয়াই ক্রোমজোম) মেডালার বিকাশ রহিত হয়, বিকশিত হয় কর্টেক্স। এটা স্বাভাবিক বিকাশ - মেডিক্যাল সায়েন্স তা-ই বলে। কিন্তু কখনো কখনো এই ভারসাম্য রক্ষিত হয় না। নিউক্লীয়ার সেক্স পুরুষ হওয়া সত্ত্বেও দেখা যায় কর্টেক্সের বিকাশ রহিত হয়নি এবং পরবর্তীতে ঐ মানুষের মধ্যে মিশ্র বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। আবার, ননডিসজাংশান বলে একটা সমস্যার কারণে নিউক্লীয়ার সেক্স 44XY না হয়ে 44XXY হতে পারে - এটাকে ক্লাইনফেল্টার সিন্ড্রোম বলা হয়। লক্ষ্য করুন, এগুলো সবই প্রাকৃতিকভাবেই হচ্ছে - কিন্তু এদের কোনটাই স্বাভাবিক না। এরকম আরও অজস্র কারণ রয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে উঠতি/পরিণত বয়সে একজন পুরুষ সমকামী হয়ে পড়ছেন। এটা সমস্যাই বটে - তবে এজন্য ভুক্তভোগী দায়ী নন, তাঁর দিকে ঘৃণা বা করুণা বা অযৌক্তিক মনোযোগ দেয়ার কোন মানে হয় না। মানুষকে তার কাজের জন্যই শ্রদ্ধা করা উচিৎ, তার 'কামে'র জন্য নয়।
দারুণ! এই বিষয়টা নিয়ে একটা বিস্তারিত পোস্ট দেবার জোর দাবী জানাচ্ছি। মেডিটেকনো বিষয়গুলো জানা দরকার।
না, বলতে হয় না। এই ডিজওর্ডার মানুষের কর্মক্ষমতাকে হ্রাস করে। সমকামিতা করে না।
সমকামিতা যদি কোন সিনড্রোমের সমতুল্য হতো, তাহলে সেটাকে সিনড্রোম বলা হতো। এটা আসলে মানুষের ফাংশনিংকে সীমাবদ্ধ করে না, সিনড্রোমগুলো করে। সমকাম বা বিষমকাম এর কোনোটাই করে না।
কামের পারপাস নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে - সেই হিসেবে বিষমকাম একটা পারপাস সার্ভ করে, সমকাম করে না - তা হলো নতুন প্রাণসৃষ্টি। কিন্তু সেটাও দেখার চোখের ব্যাপার। দুই ধরণের কামের মূল উৎপাদ যৌনতৃপ্তি, যা দুই ধরণেই পাওয়া যায়। বাকি রইলো বিষমকামের উপজাত সন্তান, সমকামের উপজাত সেখানে কিছু না। এইভাবে দেখলে সমকাম আসলে "মোর পিওর অ্যাক্ট"। সমকামের পিছনে কোন অল্টেরিওর মোটিভ নাই। বিষমকামে আছে।
আর ক্লাইনফেল্টার সিনড্রোম, হার্মাফ্রোডিজম এগুলোর কারণে তো কেউ সমকামী হচ্ছে না। এগুলো তাদের সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন ঠিক করে দেয় কি? আপনিও বলছেন "এরকম আরও অজস্র কারণ রয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে উঠতি/পরিণত বয়সে একজন পুরুষ সমকামী হয়ে পড়ছেন।" অনেক পুং/স্ত্রী সমকামী তো পিউবার্টির সময় থেকেই সমকামী। তারা কেন একজন বিষমকামীর থেকে আলাদা হবেন? তাদের সমকামিতার পিছনে কোন সিনড্রোম আছে?
অনীক ভাই, আপনার বেইজটা আমি বারবার বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছি। আপনি স্বাভাবিকতাকে কীভাবে ডিফাইন করতে চাইছেন? মানে, কোন একটা অ্যাক্ট স্বাভাবিক, না অস্বাভাবিক, সেটা কিসের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেবেন?
সমকাম বিষয়ে যাওয়ার আগে বলি, "কাম" - সহজিয়া ব্যাখ্যায় যদি বলি শরীরী আকর্ষণ বা সম্পর্ক - তাহলে প্রথমে ডিফাইন করুন, স্বাভাবিক কাম কোনটি? চিরাচরিতভাবে আমরা জানি, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি দৈহিক আকর্ষণ বা দৈহিক সম্পর্ক - এটাই 'কাম' এর স্বাভাবিক চেহারা। এর ব্যত্যয় ঘটলে সেটাকে 'অস্বাভাবিক' - এই সংজ্ঞা দেয়া হচ্ছে। এখন, সমকামীতাকে স্বাভাবিক বলতে হলে, গোড়ার ধারণাটা উপড়ে ফেলা দরকার। অর্থাৎ, আপনার যুক্তি
অনুসারে, যৌন তৃপ্তি প্রাপ্তিকেই যদি বেসিক প্যারামিটার ধরে নিই, তাহলে, উদাহরণস্বরূপ, Voyeurism -কেও "স্বাভাবিক" বলে স্বীকৃতি দিতে হবে। এটাও মানুষের অন্যান্য ফাংশনিংকে ব্যহত করে না, আক্রান্ত ব্যক্তি এ থেকেই পূর্ণ যৌন তৃপ্তি লাভ করে, তাহলে এই ডিসঅর্ডারকেও কি "স্বাভাবিক" এর স্বীকৃতি দেয়া যায়?
আপনার আরেকটি প্রশ্নঃ
এর উত্তর সংক্ষেপে, হ্যাঁ, সিনড্রোম আছে। তবে এখানে স্বল্প পরিসরে এত বিশদ ব্যাখ্যায় যাওয়া সম্ভব নয়। আমি চেষ্টা করব এ বিষয়ে আলাদাভাবে একটি পোস্টে বিশদভাবে আলোচনা করবার।
আমি এই সংজ্ঞাটার বিরোধিতা করছি। দশজনে একজন যে মনোভাব ধারণ করে, সেটা অস্বাভাবিকতা বলা যায় না।
আমার বলা বিষমকাম ও সমকামের তুলনায় ভয়ারিজম আসতে পারে না। বিষমকাম বা সমকাম দুইজন মানুষের মধ্যে বোঝাপড়ার ক্রিয়া, ভয়ারিজম একজনের প্রাইভেসি বিনষ্ট করে আরেকজনের চরিতার্থ ক্রিয়া। এই তিনটাকে এক কাতারে ফেলা যায় না।
কোন প্রবণতাকে সিনড্রোম বলা হলে বুঝতে হবে তা ব্যক্তির ক্ষমতা/পারফরম্যান্সকে সীমাবদ্ধ করে। সমকামিতা এমন কিছু না। বরং উপাত্ত নিলে দেখা যায় যে সমকামীদের মধ্যে ক্রিয়েটিভিটির শতকরা হার বেশি। আবার তারা সামাজিক ফাংশনিংয়েও বাকি বিষমকামীদের মতোই পারদর্শী।
http://www.somewhereinblog.net/blog/rebel_without_cause/28973742
এই কমেন্টের সাথে দ্বিমত - মাইনাসটা আমার দেয়া ।
পুরানো পোস্টের কথা গুলো তুলে দিতে হবে তাই পোষ্টের লিংকটাই দিলাম ।
ধন্যবাদ ইমতিয়াজ ভাই। আপনার লিঙ্কটা পড়ছি। পড়ে এখানে উত্তর দেব।
আপনার পোস্টটি পড়েছি। ওটা বড্ড শ্যালো মনে হয়েছে। তবে ওখানে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্ক পেয়েছি - পোস্টে এবং মন্তব্যে, ওগুলোর জন্য ধন্যবাদ।
আপনার ওই পোস্টের মূল বিষয় ছিল "সমকামীদের প্রতি ঘৃণা" - এর অসারতা। এই পয়েন্টে আপনার সাথে আমার দ্বিমত নেই। শুধুমাত্র লৈঙ্গিক কারণে কাউকে ঘৃণা করার পক্ষপাতী আমি নই। কিন্তু আরেকটা বিষয়ে ওখানে অনেক মন্তব্যকারীর সাথে দ্বিমত - অনেকেই বলতে চাইছেন, এটা স্বাভাবিক। আমি বলতে চাইছি, এটা স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রম।
যাহোক, আপাতত পড়ছি এ বিষয়ে, খুব শিগগির এ নিয়ে পোস্ট দেব, ওখানে আরও আলাপ হবে আশা করি, আরও বিস্তারিত।
শ্যালো! কোন সেন্সে শ্যালো ?
=====
ওটা ২০০৯ এর পোস্ট এটা ২০১২ - এখনো মানুষের মানসিকতা একি রকম দেখি - এই পোস্ট দেখলেই বোঝা যায় ।
স্বাভাবিক কোনটা অস্বাভাবিক কোনটা সেটা ঠিক করে দিবে কে? বিষমকামী মানুষরা ?
আমিও বুঝতে পারছি না কী বলবো!
উপরে শব্দপুন্ঞ্জ ভাইয়ের মন্তব্যটা ভাল লাগল।
আপনার বক্তব্য শেয়ার করবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!
এই বিষয়ে আমার পড়াশোনা খুব কম, তবে কারো কারো জন্য হয়তো সমকামিতা পূর্ব-নির্ধারিত নয়, বরঞ্চ নিজের choice এর সাথে সম্পর্কিত - সিনথিয়া নিক্সনের কথা মনে পড়লো।
--
আপনার কথায় ১০০% সহমত যে, মানুষের কল্যাণের জন্যই ধর্মের উৎপত্তি। উল্টোটা নয়।
সেদিন একটা আর্টিক্যল পড়ছিলাম (রেফারেন্স মনে পরতে পারছি না), সেখানে আলোচনা চলছিলো যে, "অপরাধ প্রবণতা" অনেকাংশেই জেনেটিক। এখন সেক্ষেত্রে ধর্মের করণীয় কী? অপরাধ কে সমর্থন করা? ভাবছি।
[ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, 'অপরাধ প্রবণতা' যে জেনেটিক, তার সুস্পষ্ট রেফারেন্স আছে কুরআনে। বহুবার পড়েছি - ঐ আর্টিক্যল পড়বার অনেক আগে।]
--
আমার খুব ছোটবেলার বান্ধবী, গলায় গলায় ভাব ছিলো, সারাক্ষণ একসাথে থাকতাম দু'জনে। তারপর আমি বাংলাদেশের বাইরে চলে যাওয়ায় দীর্ঘকাল যোগাযোগ ছিলো না। অসম্ভব মেধাবী ছাত্রী ছিলো ছোটবেলায়। এখন ডাক্তার। আরও বেশ কতগুলো পরিচয় আছে ওর, যেটা প্রকাশ করলাম না, কারণ পরিচয় দিলেই চেনার কথা। সেও লেসবিয়ান। মানুষ হিসেবে আমি ওকে অসম্ভব শ্রদ্ধা করি - নিবেদিতপ্রাণ একজন।
লেখকের মন্তব্য
বাই চয়েজ গে হওয়া কি আসলেই সম্ভব ?
ভাই একাকী একজন,
'বাই চয়েজ গে হওয়া সম্ভব' - সিনথিয়া নিক্সনের মতে। আমার আগের মন্তব্যের সাথেই লিঙ্কটা জুড়ে দিয়েছিলাম, ইচ্ছে হলে পড়ে দেখতে পারেন।
আমি তো আগেই স্বীকার করেছি, এই বিষয়ে আমার পড়াশোনা নেই।
--
Homosexuality-এর প্রসঙ্গে কথা বলতে গেলে bisexuality-এর প্রসঙ্গ চলে আসে। Bisexuality-এর প্রসঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করতে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করলেও, চতুর্মাত্রিকের পরিবেশ সম্পর্কে যতটুকু ধারণা জন্মেছে, খুব ডিটেইলড আলোচনাটা চতুর্মাত্রিকের আঙ্গিকে হয়তো inappropriate।
.
আপনার সাথে একটা ইনফো শেয়ার করি। সমকামিতা বিষয়ক। তার আগে সঙ্গত কারণে একটু প্রসঙ্গান্তরে যাচ্ছি।
- (অফ টপিক): একশ বছর আগে, ১৯০০ সালে, "ভবিষ্যতের পৃথিবী" কেমন হবে, এই নিয়ে চিন্তাবিদরা ১০টি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, যার ১০০% মিলে গেছে "বর্তমান পৃথিবী", মানে ২০১২-এর পৃথিবীর পরিস্থিতির সাথে। এই যে, এখানে লিঙ্কটা জুড়ে দিলাম, যদি পড়ে দেখতে চান।
- (অন টপিক): এই বছর চিন্তাবিদরা সামনের ১০০ বছর পর, মানে "২১১২ সালের পৃথিবী" সম্পর্কে ২০টি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, তাঁর মধ্যে একটি হল: পৃথিবীর শতকরা ৮০ভাগ মানুষ সমলিঙ্গের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে - মানে সমকামী হবে। এই যে এখানে লিঙ্কটা জুড়ে দিচ্ছি (১১নং পয়েন্ট দ্রষ্টব্য)।
এখন এটার ব্যাখ্যা নিয়ে ভাবছিলাম...সমকামী মানুষের সংখ্যা আগামী শতাব্দীতে এতটা বৃদ্ধি পাবার কারণ... জেনেটিকগত, না কি choice এর পেছনে ভূমিকা রাখে?
- আবারও বলছি, এই বিষয়ে আমার পড়াশোনা নেই। আপনার সাথে কেবল কিছু ইনফো আর ভাবনা শেয়ার করলাম। এতটুকুই, ব্যস।
--
ডিসক্লেইমার:- আমি আমার আগের মন্তব্যে 'অপরাধপ্রবণতা' নিয়ে একটা সায়েন্টিফিক রিসার্চ আর্টিক্যলের কথা বলছিলাম। আমি কিন্তু কোনক্রমেই 'অপরাধপ্রবণতা' বলতে 'সমকামিতা' mean করিনি। আপনি সেরকম কিছু মনে করে থাকলে, ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।
--
আমার ধর্ম অপরকে judge করতে কঠিনভাবে নিষেধ করে।
যদি একান্তই কাউকে judge করতে হয়, তো নিজেকে judge করা উচিৎ।
আমার ধর্মে আরেকজনের বেডরুমে কি হল, না হল, এই নিয়ে অনধিকার চর্চা করতেও কঠিনভাবে নিষেধ করে।
এখন এই প্রসঙ্গে আবারও কুরআনের রেফারেন্স টেনে আনার লোভ আমি অতি কষ্টে সংবরণ করলাম।

--
এই ব্লগে এটাই আমার শেষ মন্তব্য। অনেক ভাল থাকুন, একাকী একজন!
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ।
আসলে বাই চয়েজ বিষয়টা এই জন্যই বলেছি, একজন সমকামী কি ইচ্ছা করলে বিষমকামী হতে পারবে ?
সেটা সম্ভব না, সেটা সম্ভব হলে অনেকেই হয়ে যেত । তেমনি একজন বিষমকামী যদি বলে বাই চয়েজ - বুঝতে হবে তাঁর ভিতর উভকামিতা আগে থেকেই ছিল, এখন যে কোন একটা কে সে বেছে নিয়েছে। আপনার ঐ লিঙ্ক এ গিয়ে পড়েছি। ধন্যবাদ লিঙ্ক শেয়ার করার জন্য।
11. Eighty per cent of the world will have gay marriage (Paul)
IP: Likelihood 8/10. This seems inevitable to those of us in the West and is likely to mean different kinds of marriages being available to everyone. Gay people might pick different options from heterosexual people, but everyone will be allowed any option. Some regions will be highly resistant though because of strong religious influences, so it isn't certain.
এর মানে হল পৃথিবীর ৮০ ভাগ জায়গাতেই সমকামীদের বিয়ে আইনসিদ্ধ হবে। ৮০ ভাগ মানুষ সমকামী হয়ে যাবে কে বলল? অবাক লাগল কেউ এই সহজ ভুলটা ধরতে পারে নি বলে। প্যারাটা আরেকবার মন দিয়ে পড়ুন।
আপনি মন্তব্য করেছেন - এইমাত্র notice পেলাম ই-মেইলে। আপনার মন্তব্য পড়লাম আর লিঙ্কটাও আবার দেখলাম। আপনি ঠিক বলছেন।
আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ ভুলটা ধরিয়ে দেবার জন্য, তন্ময়!
শব্দ ভাইরে ভোটাপ!
আমরা মানুষ আর আমাদের এই পরিচয়টা নিয়েই গর্ব করে বেঁচে থাকা উচিত। নিজের কষ্ট গুলো শেয়ার করবেন দেখবেন নিজেকে অনেক ভারমুক্ত মনে হবে । আর আমাদের এই অপরিণত সমাজ ও একদিন এই ব্যাপারগুলো নিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠবে ইনশা আল্লাহ ।
শব্দ ভাইয়া কে ভোটাপ করলাম । অসাধারণ ।
লেখকের মন্তব্য
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
কদিন আগে সামুতে এই নিয়ে ব্যপক শোরগোল হয়েছিল - একজন পাঠক খুব যুক্তির সাথে সমকামিতার বিপক্ষে তার যুক্তি তুলে ধরেছিল, আরেকজন পাঠক জিজ্ঞেস করেছিল - সেই পোস্টা পার্টনার খোজার জন্য দেয়া হয়েছে কিনা। এই পোষ্টা পড়ে আমার ঠিক সেই কথাগুলো মনে পড়ে গেল। এই পোস্ট দেয়ার যৌক্তিকতা কি?
নাইফা চৌধুরী অনামিকার মন্তব্য পড়ে মনে পড়ে গেল। কুরআনে লুত জাতির কথা বারবার বলা হয়েছে যারা ছিল সমকামী, তাদের উদ্দেশ্যে লূত (আ) নামে একজন নবী প্রেরিত হয়েছিলেন। সুস্পষ্ট হারাম এই কাজ তারপরও কন্টিনিউ করার শাস্তিস্বরূপ সেই জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন আল্লাহ সুবহানাহতায়ালা। এই বিধান এখনো পাল্টে নি, কখনো পাল্টাবে না।
আপনার প্রতি করুনা বোধ করতাম যদি আমি কোন পাবলিক প্লাটফর্মে না জানতাম।
"পার্টনার খোঁজার জন্য দেয়া হয়েছে" - আপনার মত অনেকের এই ধারনাটুকু বদলে দেবার জন্যই এ ধরনের পোস্ট দরকারি। আপনাদের চারপাশেই মিশে আছেন অসংখ্য সমকামী: সব বয়সের, সব পেশার; এমনকি অনেক বিবাহিত পুরুষও আছেন এই দলে, বাংলাদেশে ব্লগিং সংস্কৃতি চালু হবার অনেক আগে থেকেই আছেন। অনলাইন ডেটিং আর আন্ডারগ্রাউন্ড ক্লাবিং-এর এই যুগে কেউ ব্লগে এসে পার্টনার খোঁজে না। অবশ্য কিছু " ফারাবি " আছে ব্যতিক্রম, তাদের কথা আলাদা।
আর 'সুস্পষ্ট হারাম' কাজ করার কথা বলছেন? কুরআনে লুত জাতি আর সমকামিতা নিয়ে উদ্ধৃতি আছে মাত্র পাঁচবার ; সুদ, গীবত, নেশা - এগুলোর প্রত্যেকটা নিয়ে কতগুলো আয়াত আছে, জানেন? পর্দা করার কথা কতবার আছে? সত্যি করে বলুন তো, সিনেমার পর্দার সুন্দরী নায়িকা, কিংবা স্কুলে-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে অথবা রাস্তায় কোন সুশ্রী মেয়ে দেখলে আপনার চোখ কি দ্বিতীয়বার তার দিকে যায় না? 'গার্লফ্রেন্ড'দের কথা তো ছেড়েই দিলাম। বন্ধুদের সাথে 'হট আইটেম'গুলো নিয়ে গল্প যখন করেন, কুরআন কিন্তু তখন বাক্সবন্দী হয়েই পড়ে থাকে। ঘরের দরজা বন্ধ করে রসময় গুপ্তের চটি আর ইন্টারনেট পর্নের পুনঃপুন ব্যবহারে কোন আপত্তি নেই; কিন্তু সমকামীদের বেলাতেই যত দোষ - এগুলো পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব, এদের জন্যই ইসলাম নষ্ট হচ্ছে, এগুলোকে ইরানের মতই গলা কেটে শেষ করে দেয়া উচিৎ, ইত্যাদি ইত্যাদি।
করুনা নয়, আমাদের দরকার সচেতনতা। যুক্তি আর বিজ্ঞানের বাইরে গিয়ে, শুধুই একতরফা ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজের পক্ষে সাফাই-ই যদি গাইবেন, তাহলে আজ থেকে সেইসব কাঠমোল্লাদের সমালোচনা করা ছেড়ে দিন, যারা নিজেদের সুবিধামত ধর্ম ব্যবহার করছে - ফতোয়ার নামে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে সারাদেশে।
অনেকগুলো কথা বলে গেলেন একতরফা। কোরআন কার কাছে বাক্সবন্দী কার কাছে নয়, সে খোদাই ভালো জানেন। কোথায় কিসের সমালোচনা করছি, কোথায় কিসের আড্ডা দিচ্ছি সেটাও তিনিই জানেন, আপনি নন। প্রকৃতপক্ষে আপনার রিপ্লাইয়ের জন্যই অপেক্ষা করছিলাম।
সচেতনতা বলে আসলে কি বোঝাচ্ছেন সেটা সত্যিই বুঝতে পারছি না। সচেতনতা বলতে যদি এসকল ঘৃণ্য কাজকে আধুিনকতা আর যুগের দোহাই দিয়ে সমর্থন করার কথা বলেন তাহলে আমি সেই আদিম যুগেই থাকতে চাই। পশুত্বকে মানুষের মধ্যে দেখার কোন খায়েশ আমার নাই, ছিলও না।
কুরআনে পাচবার সমাকামিতা নিয়ে কথা বলা হয়েছি এইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তারমানে কি এই দাড়ায় যে অন্য কথাগুলো বেশী বলা হয়েছে বলে এই সমকামিতার গুরুত্ব কম হয়ে গেল এবং যেহেতু অন্যান্য অন্যায়গুলো বেশী করা হচ্ছে বলে আরেকটি অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া জায়েজ হয়ে গেল? কবিরা গুনাহের তালিকায় সমকািমতার নাম ছিল, আছে এবং থাকবে। প্রশ্ন হল আমি আপনি মানবো কি মানবো না। আপনি যদি মানতে না চান মানবেন না, কিন্তু সমকামিতাকে প্রশ্রয় দেয়ার যতটুকু অধিকার আপনার/আপনাদের আছে, বিরোধিতা করার ঠিক ততটুকু অধিকার আমারও আছে।
যুক্তি আর বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে অনেক পশুস্বভাব মানবের মাঝে ঢুকেছে, আরও ঢুকবে জানি, কিন্তু তাই বলে ধর্মবোধ যদি মানুষকে মানুষ হিসেবে টিকে থাকতে সাহায্য করে তবে সেই ধর্মের বিরোধিতা কেন?
ধন্যবাদ
লেখকের মন্তব্য
একটু পরিষ্কার করে বলবেন, বিজ্ঞানের নামে কি কি পশুস্বভাব মানুষের মধ্যে ঢুকছে ?
আর আধুনিকতা নয়, এই সমকামীতা তো সৃষ্টির আদিকাল হতেই ছিল। স্বাভাবিক যৌন ক্রিয়াও তো জীবের ধর্ম, পশুদের ধর্ম। তাই বলে কি আপনি যৌন কাজ থেকে বিরত থাকবেন ? ওটা পশুদের কাজ বলে ?
শুধু সমকামীতা নিয়ে নয়, আরো অনেক বিষয় নিয়েই কোরআন এ লেখা আছে, যা বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে যায় (পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সূর্যের প্রদক্ষিণ) , সেই বিষয় গুলো মেনে নিতে পারলে এক্ষেত্রে আপত্তি কেন ?
আপনি বিরোধিতা করতে পারেন কিন্তু তাই বলে আপনি স্বাভাবিকতা কে অস্বীকার করতে পারেন না ।
বিরোধিতা করার সীমানাটাও বুঝেন কি? অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপার যতোক্ষণ না আপনার ব্যক্তিসীমানায় হস্তক্ষেপ করছে ততোক্ষণ পর্যন্ত সেটাতে বিরোধিতা করার রাইট আপনার নাই। কারো সমকামিতায় আপনার কী কী ক্ষতি হয়, একটু জানাবেন।
আর এই মিশ্রধর্ম-সংস্কৃতির সমাজে এসে একটা গ্রন্থ নিয়ে কথা বলাটাও ঠিক না। একজন সমকামী যদি ধর্ম না মানেন, তাহলে কোরান বা অন্য গ্রন্থের কথা তাকে কেন শুনাবেন?
১ জন সমকামির োনুভুটি না জেনে াপনি সেটাকে পোসুৎো বোলটে পারেন না।
নিজের মতো বাচুন। কারন সমাজের কথায় আপনার পেট ও ভরবে না জৈবিক চাহিদাও মিটবে না।
আর ধর্মর কথা একপাশে সরিয়ে রাখুন। ভালো থাকবেন।
লেখকের মন্তব্য
জ্বী । ধন্যবাদ ।
শব্দপুঞ্জকে বলছি আপনি বলেছেন সমকামিতা হরমোনজনিত কিংবা মানসিক ও শারীরিক অস্বাভাবিকতা থেকে হয়ে থাকে। অর্থাৎ বলতে চাচ্ছেন সমকামিতা এক ধরনের রোগ!!! এই রোগের লক্ষনগুলো কি? এটা যদি রোগ হয়ে থাকে তবে তা প্রকৃতিতে এতো দীর্ঘ সময় যাবৎ ও এতো বেশি পরিমানে বিদ্যমান কেন? জন্মান্ধতার সাথে সমকামিতাকে গুলিয়ে ফেললেন? সমকামিতা কোন রোগ নয় তবে তার চিকিৎসা থাকবে কেন? আর কোন হাসপাতালে আর কোন ডাক্তার করে থাকে এই চিকিৎসা? আজ পর্যন্ত কয়জন সমকামিকে তারা অসমকামি বানিয়েছে পারলে জানাইয়েন!
সমকামিতা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বিবর্তনের প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে সমকামিতার উৎপত্তি। এ কোন অস্বাভাবিকতা কিংবা রোগ নয়।
একাকী একজনকে বলছি নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। ধর্ম আপনাকে গুরুত্ব দেইনি আপনি কেন দিবেন? আবাল ধর্মকে দূরে সরিয়ে নিজের জীবন নিজেই গড়ুন। শুভকামনা।
জ্বী না, আমি শুধু বলছি, এটা চিরচেনা নিয়মের একধরনের ব্যতিক্রম। এর অসংখ্য কারণের কয়েকটি উল্লেখ করেছি মাত্র।
হাস্যকর প্রশ্ন! প্রকৃতিতে বহু রোগ দীর্ঘকাল ধরেই বিদ্যমান। কোন রোগ চিহ্নিত হলেই তা প্রকৃতি থেকে নির্মূল হয়ে যাবে, এমনটা ভাবা বোকামি।
কারও আবেগকে আঘাত করে থাকলে আমি দুঃখিত। আমি সমকামিতাকে কটাক্ষ করার উদ্দেশ্যে কিছু বলিনি। সম্পূর্ণ নির্মোহভাবে আমি কিছু তথ্য দিয়েছি। আমার মন্তব্যে আপনি ভাল করে (আগে নিজের উন্মাতাল আবেগকে শান্ত করে, একটু ধীরস্থিরভাবে) লক্ষ্য করুন, আমি বলেছি,
জেনেটিক সমস্যা থেকে সমকামী হয়ে থাকলে, তার চিকিৎসা আছে কিনা, তা আমার জানা নেই।
চিকিৎসাবিজ্ঞান কিন্তু আপনার সাথে দ্বিমত। যাহোক, কেউ এত বেশী আবেগতাড়িত হয়ে পড়লে, তার সাথে যুক্তিতর্ক চালিয়ে যাওয়া কঠিন।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
শব্পুঞ্জ; আমি ঠিক বুঝতে পারছি না, 'অস্বাভাবিকতা' এই শব্দ দিয়ে আপনি কি বুঝাতে চাইছেন? স্বাভাবিক আর অস্বাভাবিকের কোনো পরম মান বা সংজ্ঞা নেই। যদি 'সমকামিতা' একটা মেনে নেওয়ার মতো বাস্তবতা হয়, যদি এই পরিচয় কোনো 'রোগ' না হয়; ধর্মের আপত্তিও যদি আমলে না নেন, তাহলে কিসের ভিত্তিতে সমকামিতাকে আপনি 'অস্বাভাবিক' বলছেন?
জনাব দারাশিকোর তবু একটা তাত্ত্বিক অবস্থান আছে(যতোই নাইভ হোক না কেন?); তিনি ধর্ম, এবং বিশেষ একটা ধর্মের এবং বিশেষ একটা গ্রন্থের কথাকে পরম ধরে নিয়ে বলছেন। কিন্তু আপনি তো সেকুলার-বিজ্ঞান মনস্ক-আধুনিক; কিন্তু আপনার মতের কোনো ভিত্তি তো পাচ্ছি না! ধরে নিলাম এটা আপনার যৌক্তিক মনের তলে লুকানো- 'সামাজিক সংস্কারকে' পূর্বেই প্রশ্নহীনভাবে মেনে নেওয়ার যে সামাজিক অভ্যাস, তারই দাসত্ব করছে।
স্বাভাবিকতার সংজ্ঞা কিসের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়?-- এটাই আমার সবিনয় প্রশ্ন।।
সমকামিতার বিষয়ে সাধারণ মানুষের, আমাদের সমকামীদের ভাষায় যারা "স্ট্রেইট", তাদের সহানুভূতি অর্জনের জন্য যদি এই পোস্টটি দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে একজন সমকামী হিসেবে আমার খারাপ লেগেছে। I just don't care about those straight guys. I am homosexual and this is the ultimate truth. তবে মাঝে মাঝে প্রচণ্ড অভিমান হয় বিধাতার উপর, যে অপরাধের (!) জন্য আমি দায়ী নই, তার শাস্তি আমি পাবো কেন?
মাস দুয়েক আগে আমিও সামুতে নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে একটা পোস্ট লিখেছিলাম। তুমুল হট্টগোল হয়েছে বটে, মানুষের ভাবনার খুব একটা পরিবর্তন হয় নি। তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের অজ্ঞানতা আমাকে ততটা ব্যথিত করে না, যতটা করে সত্য জানার প্রতি অনাগ্রহ। এখানে যারা কমেন্ট করছেন তারা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর সদস্য। সেই আপনারা যদি স্রেফ "ধর্মে মানা আছে তাই মানি না" টাইপের যুক্তি দেন তাহলে কি করব?
অপরাধ প্রবণতা সমকামীতার মতই জেনেটিক কিনা সে তর্কে যাওয়া অর্থহীন। অনেকেই বলেন সিরিয়াল কিলারদের খুন করার মানসিকতা নাকি জেনেটিক, পেডোফাইলেরা যে শিশুদের প্রতি বিকৃত আকর্ষণ বোধ করে তাও জেনেটিক; কিন্তু প্রশ্ন হল একজন সমকামীর সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ কি সিরিয়াল কিলার কিংবা পেডোফাইলের মত ক্ষতিকারক? সিরিয়াল কিলার মানুষ খুন করছে, পেডোফাইল একটি অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশুর জীবনে স্থায়ী একটা ক্ষতিকারক ছাপ ফেলে যাচ্ছে, আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক সমকামী আরেকজন প্রাপ্তবয়স্ক সমকামীর সাথে সম্পর্কে যাচ্ছে। এ তিনটি প্রবণতাই হয়তো জেনেটিক এবং মানুষের সাধ্য নেই এদেরকে থামানোর, কিন্তু যে প্রবণতাটি ক্ষতিকারক নয় সেটা বন্ধের জন্যে কেন এত চেষ্টা?
আর পার্টনার খোজার জন্যে ব্লগ হল সবচেয়ে বাজে জায়গা। অনেক ডেটিং সাইট আছে, ফেসবুক আছে, চ্যাটরুম আছে - সেগুলো বাদ দিয়ে ব্লগে কে পার্টনার খুজতে যাবে? সমকামীদেরকে তাদের মত থাকতে দিন, তারা বেডরুমে কি করে সেটা আপনার মাথা ব্যথার বিষয় নয়। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন আপনার আমার আশেপাশেই অনেক সমকামী আছে, তারা দ্বৈত জীবন যাপনে বাধ্য হচ্ছে আপনাদের অসহিষ্ণুতার কারণে। মানবাধিকারে বিশ্বাসী কারো সমকামীদের অধিকারে দ্বিমত থাকার কথা নয়।
স্যালুট এং ভোটাপ! ঠিক এই কথাটাই আমি বোঝাতে চেয়েছি - আমি বোধহয় বড় বেশী মেডিক্যাল টার্ম ব্যবহার করে সোজা কথাটা গুলিয়ে ফেলেছিলাম। সহজ ভাষায় কথাটা জানাবার জন্য ধন্যবাদ গ্রহণ করুন।
কুটুমের এই অংশটা আমার মতামত। আমার স্ট্রেইট হিসাবে খারাপ লাগছে। স্ট্রেইটদের সহানুভূতি চাওনটাই বৃথা। কেউ নিজের চিন্তার ফ্রেমে আপনারে আটকাবে, কেউ ধর্মগ্রন্থ টানবে, কেউ ফিজিক্স, বায়োলজি, ডাক্তারি টানবে। করুণা(!)ও করবে কেউ কেউ। অতএব আপনি ক্যাটাগরাইজড হইবেন। কেউ আপনারে আরেকটা হেটারেসেক্সুয়ালকে দেখার চোখে দেখবে না।
লেখকের মন্তব্য
কারো সহানুভূতি তো চাইবার জন্য পোষ্ট দেই নাই ভাই।
সমকামী হিসাবে নিজের কথা গুলো বললেই কি সেটা দোষের ?
না দোষের না।
আমি মূলত সমকামিতা নিয়ে পোস্টগুলো এবং সেখানে কমেন্ট সেকশনে বিষমকামিদের কমেন্ট - একই ব্যাপার বাংলা ব্লগে দেখে আসছি অনেকদিন ধরেই। পোস্টগুলো যথেষ্ট গঠনমূলক আলোচনার দাবি রাখে। এটা একটা সামাজিক ইস্যু, কিছু মানুষ সমাজে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে না, সাদা চোখে সেটা বুঝেও লোকজন বুঝতে চায় না। নিজের ব্যক্তিগত চোখে সেটা বিচার করার চেষ্টা করে। এটা কি গ্রামের শালিস; বা হাইকোর্ট? ব্লগে কেউ তার সমস্যার কথা বললে সেটাকে যেভাবে ট্রিট করা হয়, যে সাহায্য বা উত্তরণের কোন আলাপ হয়, সেটা সমকামিতার পোস্ট গুলোতে দেখি না। এজন্যই বললাম আশা করিয়েন না।
তবু চতুর্মাত্রিকের ভাল দিক আপনাকে কেউ এখানে হুমকি ধামকি দিবে না, উপরে আরণ্যকের লিংকে দেখতে পারেন - পারলে লোকজন ব্লগেই তার চিকিচ্ছে করে দিচ্ছে।
লেখকের মন্তব্য
মুলতঃ প্রথম আলোতে সমকামী ইস্যুতে ভারতের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সে দেশের সরকারের আপীলের খবরে পাঠকের প্রতিক্রিয়া দেখে এ লেখার চিন্তা মাথায় আসে।
মানুষ এখনো কত কম জানে, কত অশিক্ষিত রয়ে গেছে, এত নিচু রুচির লোকজন আশেপাশে !!!
ধন্যবাদ ভাই ।
বিচিত্র পৃথিবী! বৈচিত্র সর্বত্র!! কিই বা জানি তার, আর কতটুকুই বা জানা যায়!!!
ভালো থাকুন, নিজের মত থাকুন।
লেখকের মন্তব্য
আপনিও ভালো থাকুন।
ভোটাপ হুদা ভাই।
@নাঈফা কাম অন! আপনার অতিরিক্ত কোরান প্রীতি বিরক্তিকর লাগে। সবকিছুই কোরানে থাকলে আর কষ্ট কৈরা ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, জেনেটিক্স আলাদাভাবে পড়া লাগতেছে কেন? সিলি!
@দারাশিকো আফনে কৈলেন সমকামিতা করার অপরাধে লুত জাতিরে আল্লা ধ্বংস কর্সে। বুলক্র্যাপ! এখন যখন কানাডায় হোমোসেক্সুয়ালদের প্যারেড হয় তখন আল্লা কী করে?
পোস্টের ব্যাপারে, অনেকদিন আগে যায়যায়দিনে একটা কলাম ছাপা হত "নিউইয়র্কের পথে পথে"-লেখকের নাম মনে নেই। ওইখানে আমি প্রথম জানতে পারি যে মানুষ বাই বর্ন সমকামী হতে পারে। লেখকের সাথে একজন ক্যাবচালকের কথা হয়, সেই লোকটা বাই বর্ন সমকামী ছিলো। তাকে লেখক জিজ্ঞাসা করেছিলো তুমি মাস্টারবেশন কী ছেলেদের ভেবে কর? উত্তর ছিলো 'হ্যাঁ'। আপনি সেরকম কিছু হৈলে সমবেদনা। হ সমবেদনা। কারণ এইটা সমবেদনা করার মতই ব্যাপার। স্টাকড উইথ শিট! আর যদি এটা আপনার মানসিক বিকৃতি হয় এবং আপনি পারিপার্শ্বিক কারণ অথবা অভ্যস্ততার বিভিন্ন পথে গিয়ে স্বাভাবিক যৌনাচারে সন্তুষ্ট না হয়ে গে-সেক্স কে বেছে নেন তাইলে আফনের প্রতি ঘৃণা।
আরেক্ষাণ কথা, মানুষ বাই বর্ন সমকামী হৈতাম্পারে, বাই বর্ন পশুকামী হৈলো ধরেন। ধরেন আমার জন্মের পর থিকা গরু-ছাগলরের প্রতি অগাধ আকর্ষণ। আমি তাদের সাথে যৌনাচার করে মজা পাই। সেই ক্ষেত্রে আমি কি আমার যৌন অধিকারের জন্যে পথে দাঁড়ামু? এবং সবাই কৈবো যে নাহ, হ্যার ওইটা ন্যাচারাল সে পশুগো লগেই সেক্স করুক।
নাইলে ধরেন কেউ ইনসেস্টাস প্রবৃত্তি নিয়া জন্মাইলো। ঠেলা সামলান! বিকৃত যৌনাচারের কতটুকু আসলেই বাই বর্ন আর কতটুকু নিজের বেছে নেয়া, এবং সমাজ কতটুকু অনুমোদন দিবে এইটা সতর্কতার সাথে ডিল করা দরকার। নাইলে তো সবার যৌন অধিকার রক্ষা কর্তে গিয়া সমাজটাই একটা জীবন্ত পর্ন মুভি হয়া যাইবো।
মূল পোস্টে নিচের বাক্যটা লেখা ছিলো।
সেখান থেকে আসলো ধর্মের প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ধর্মের প্রসঙ্গ আসলে, ইসলামের প্রসঙ্গ চলে আসে আপনাতেই। ইসলামের প্রসঙ্গ আসলে, কুরআনের প্রসঙ্গ আসতে বাধ্য - কারণ ইসলামের রেফারেন্স কোনটা? কুরআন। এই কারণে কুরআনের প্রসঙ্গ টেনে এনেছি, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।
উপরে লেখা বাক্য/উদ্ধৃতির ভিত্তি হল একাধিক assumptions (আপনার নিজের) - যেগুলোর একটিও সঠিক নয়। এই নিয়ে আলোচনা করতে গেলে "ইসলাম-কুরআন" মূল টপিকে পরিণত হবে - যেটা অনভিপ্রেত। আমি মৌনতা অবলম্বনের সচেতন সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।
হামা ভাই,
আপনার মন্তব্যের জবাব দেয়া বোকামী। কারণ জবাব দিতে গেলে তর্কটা আল্লাহ খোদা আছে কি নাই - সে দিকে মোড় নিবে। আপনার বিশ্বাস থেকে আপনি খোদাকে নাই বলে গ্রহন করেছেন হয়তো, আমার বিশ্বাস থেকে আমি আছে বলে গ্রহণ করেছি। আপনার বিশ্বাস নিয়ে আপনি থাকুন না, ক্যাচালে গিয়া লাভ কি? যদি আল্লাহ বলে কেউ না থেকে থাকেন তাহলে তো ভালোই - আমি আপনি বেচে গেলাম। আমার ক্ষতি হল এইসব পশুসুলভ আচরণগুলো গ্রহন করতে না পারায় আনন্দটুকু থেকে বঞ্চিত হলাম, এর বেশী কিছু তো নয়। কিন্তু যদি তিনি সত্যিই থেকে থাকেন? শুভকামনা হামা ভাই
"(বিকৃত) যৌনাচারের কতটুকু আসলেই বাই বর্ন আর কতটুকু নিজের বেছে নেয়া, এবং সমাজ কতটুকু অনুমোদন দিবে এইটা সতর্কতার সাথে ডিল করা দরকার"।
এই মন্তব্যটুকু পুরো পোষ্ট ও কমেন্ট মিলিয়ে সবচে গুরুত্বপূর্ণ।
যদি সৎ থেকে বলি, অস্বীকার করবো না, সমকামীতা বিষয়ে আমার এক ধরণের অস্বস্তি আছে; হয়তোবা ধর্মীয়(কঠোর অর্থে না, বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থে) পরিবেশে বড় হওয়াটাই মূল কারন।তবে সমকামীদের রাইটস আমি স্বীকার করি।অন্ত:ত সিভিল রাইটসের ব্যাপারটুকু। বিয়ের ব্যাপারটা নিয়ে এখনো সংশয়ে।বিয়ে আমার মতে ধর্মীয় বন্ধন।
তবে সমকামীতার কতটুকু জেনেটিক আর কতটুকু বিকৃত যৌনাচার -এটার সীমারেখাও টানা দরকার।আর কোন মন্তব্যে জানি দেখলাম লিংগ পরিবর্তন সম্ভব না।লিংগ পরিবর্তন আসলে সম্ভব।
আমি একটা ঘটনার কথা জানি।একজন উভয়লিংগ(কথ্যবাংলা সম্ববত হিজড়া) হরমোন চিকিৎসায় মেয়ে হয় এবং সে লেসবিয়ান।পরবর্তীতে তার পার্টনারের সাথে না বনিবনায় হওয়ায় সে লিংগ পরিবর্তন করতে চাচ্ছে।চিকিৎসক ব্যাপারটাতে আপত্তি জানায় এই সমকামী-ফ্রেন্ডলি দেশে ব্যাপক হৈচৈ।বুঝুন অবস্থা।
সুইডেনে এখন সমকামি কাপল'রা বাচ্চা নিতে পারবে কিনা এইটা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক।এলজিবিটি রাইটস অর্গানাইজেশন বাচ্ছা নেয়ার পক্ষে, চাইল্ড রাইটস অর্গানাইজেশন বিপক্ষে। চাইল্ড রাইটস অর্গানাইজেশনের যুক্তি একটা শিশুর অধিকার আছে স্বাভাবিক(?) পরিবারে বড় হওয়ার।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় পৃথিবীতে "স্বাভাবিক" শব্দটাই স্বাভাবিকতা হারিয়ে ফেলেছে।
আর আরেকটা কথা সমকামিতাকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভংগি বিচার করুন।ইতিহাসে থাকলেই সেটার বৈধতা দাবী করা যায়না। ফারাও সাম্রাজ্যে, রোমান সাম্রাজ্যে ভাইবোনের বিয়ে হয়তো।এখন কোন অসুস্থ ব্যাক্তি ইনসেষ্ট হয়ে যদি দাবী করে বসে এইটা ফারাও,রোমান সাম্রাজ্যে ছিলো, তাইলে তো মুশকিল। রাহুল সাংকৃত্যয়ানের ভলগা থেকে গংগায় মা-ছেলের বিয়ের বৃত্তান্ত আছে।মানুষের পশুকামেরও উদাহরণ আছে।
লেখকের মন্তব্য
কারো সহানুভূতি তো চাইবার জন্য পোষ্ট দেই নাই ভাই।
সমকামী হিসাবে নিজের কথা গুলো বললেই কি সেটা দোষের ?
এখানে আমার মনে হয় আপনি নিজেও নিজের দৃষ্টিভঙ্গিটাকে যাচাই করে দেখবেন। প্রকৃতির ভুল বলে একটা সুবিধাবাদী ফেনমেনা শেখানো হয়, যেন প্রকৃতি একটা মানুষ। ফট করে ভুল করে ফেলেছে। সমকামিতা কোন ভুল না। এটাকে ভুল বলা মানে যেন সিংহ জন্মানো ভুল বা পাখি জন্মানো ভুল বলার মতো। সমকামিতার সাথে বিবর্তনের গভীর সম্পর্ক আছে, বিস্তারিত পড়াশোনার জায়গাও আছে, কীভাবে সমকামিতার উৎপত্তি ও টিকে থাকা। লক্ষ কোটি বছরের বিবর্তন ঘটেছে সমকামিতার উভলিঙ্গ থেকে একলিঙ্গ প্রাণী যেমন বিবর্তনের ফল, তেমনি। তাই বলে উভলিঙ্গীরা তো বিলুপ্ত হয় নি। এরাও আছে, ওরাও আছে। এখানে একটাকে ভুল আরেকটাকে ঠিক বলা স্রেফ বদমায়েশি। তাই এমন ধারণাগুলো ঝেড়ে ফেলুন।
নিজেকে সম্মান নিজে দিতে না পারলে অন্যে দিবে না। সুতরাং আপনি হীন, খারাপ, নেতি - এমন চিন্তা ঝেড়ে ফেলবেন আশা রাখি। সমাজ একটা গোঁড়া কাঠামো, বারবার এগুলো আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চাইবে। এখানে নিজে লড়াই করা ছাড়া নতুন কোন আশার বাণী শোনাতে পারছি না।
লেখকের মন্তব্য
সাহস দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।
আসলেই নিজে লড়াই করেই টিকে থাকতে হবে এখানে ।
সমাজে আপনি একা নন। আলাদা করে বলার কিছু নেই। জৈবিক এই আচারগুলো ব্লগ থেকে শিখে নিয়ে নিজের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে সেটা আমি মনে করি না। তবে এতে হয়ত অন্য কারো যদি বিকৃত রুচি থেকে থাকে, তারা সচেতন হতে পারে।
------------
এবার @ হামা: (আশা করি অনেক বছরের ব্লগিং অভিজ্ঞতায় আপনি এটুকু বুঝতে পারবেন, কারো নিন্দা করা মানেই তার সাথে শত্রুতা করা নয়, সেই আত্নবিশ্বাস থেকেই বলছি। তবে এক্ষেত্রে অন্য কেউ হলে বলতাম কিনা জানি না। কারন, আমাত্তে বেশী জানেন টাইপের লোকদের সাথে আমি কোনদিন কোনরুপ আর্গুমেন্টে যাই না) আপনার বক্তব্যের সাথে পুরোপুরি সহমত জ্ঞাপন করে বলার ভঙিটা নিয়ে কিছু বলতে চাইছি। চতুর্মাত্রিকের সামগ্রিক আবহাওয়ার সাথে বিবেচনা করে বলছি আপনার বলার ভাষাটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বেডরুমে, সমবয়সী বন্ধুদের সাথে, যে কটু অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহৃত হয়, সেগুলো সার্বজনীন পাঠকদের কাছে/সামনে বিব্রতকর। এর আগেও একটা পোষ্টে আপনার বক্তব্য মডারেটর কর্তৃক এডিটেড আছে (সেখান থেকে ধরে নিচ্ছি চতুর্মাত্রিক এ ধরনের বলার ভঙি সমর্থন করে না) তবে যদি বলেন, ব্লগ আমার ইচ্ছের লেখার খাতা, যে ব্লগে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছাত্র- অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক- একই সাথে মা-মেয়ে, বাবা-ছেলে ব্লগ লিখছেন, সেখানে আমি আমার ইচ্ছেমত যা ইচ্ছে তাই বলতে পারি-------------------- সেক্ষেত্রে বলবো, আমি অজ্ঞ এবং অনুজ। এই স্বাধীনতার ব্যাপারটুকু আমার একেবারেই অজানা। আমি ব্লগ দেখেছি দু'টি এক প্র আ, আর দুই হচ্ছে চতুর। যেখানে আমি এরকম সামনে থেকে দেখিনি। এরকম আসলে চতুরে দেখতে চাই না। এটা দাবীও বলতে পারেন। শেষান্তে, কারো কোন কিছু বলে অন্ততঃ ব্লগে এ পর্যন্ত সংশোধন হয়েছে দেখিনি কিন্তু যা হয়েছে, ইগনোরেন্স, কমেন্টে কাটাকাটি, সেই সাথে ঋনাত্নক অনেক কিছু। আমার এতগুলো ভূমিকা, বেশী কথা শুধু এই দু'টি লাইন বুঝনোর জন্য--- "চতুর্মাত্রিক সার্বজনমাত্রিক থাকুক, এটাই চাওয়া, আর আপনার সাথে কোনকালে দ্বেষ, ক্ষোভ বা কোন শত্রুতা নেই, আসলে একজন আইকনিক কারো কাছ থেকে এরকম কিছু চাই না।" দাবী থাকলো।
উখে পদম ঠাকুর, কমেন্ট এডিট করলাম। এইবার ঠিকাছে কী না কন!
হে হে, দ্যাটস হোয়াই ইউ আর মাই ফেভ---

ধন্যবাদ পদ্ম। ধন্যবাদ হাসান মাহবুব।
চতুর্মাত্রিকের আবহ থাকবে চির অমলিন।
হামা আপনার কমেন্ট এডিটিং এর ব্যাপারটা ভালো লাগলো।
আপনার কমেন্টে যদিও পুরা সহমত নই। ব্যাপক দৌড়ের উপর আছি। সময় করে কিছু বলতে পারবো আশা করি। তবে আসলে টপিকের বিষয়ে আমার ভাবনা এখনো ইনডিসাইসিভ। মানে এখনো আমি শিউর না। আরো এগুলে হয়তো বুঝবো।
আলোচনা চলুক। আরণ্যক একটা লিঙ্ক দিছে সেটা ভালো পাইলাম। আসলে অভিজিতের লেখাগুলো পড়ার আগে আমি সমকামিতাকে রিডিজলি ঘৃণা করতাম। তবে আমি এখন এ ব্যাপারে ইনডিসাইসিভ। তবে গে বা লেসবিয়ানদের ব্যাপারে ট্যাবু কাজ করে না এতটুকু শিউর।
লেখককে বলবো শুধু শুভকামনা । আর কিছু না।
ভোটাপ পদ্ম দা।
হা হা হা পদ্ম ভাইকে ভুটাপ।
শব্দপুঞ্জ ভাইয়ের কথা ঠিক আছে।
@একাকী: শোনেন আপনার, আমার, আমাদের সবার অধিকার আছে আমরা মানসিকভাবে যাকে ভালোবাসি, পচ্ছন্দ করি, চাই তার সাথে থাকবার। হোক্ না সে সমলিঙ্গের। ওই সমলিঙ্গের মানুষটি যদি আমার অনুভূতি বোঝে, তার সাথে যদি আমার মানসিক বন্ডিং, এ্যাটাচমেন্ট ভালো হয়, তো এখানে খারাপ কি?
এটা কোন রোগও না এটা কোন পাপও না। যেখানে মন পরিস্কার কাউকে নিয়ে।
আপনি যদি বাইড়ের কোন দেশে থাকতেন, আজ তবে স্বস্থি নিয়ে থাকতেন, মনের ভেতর এই চাপা কষ্টটা ভোগ করতে হতোনা। সমবেদনা জানাচ্ছি।
পরিবর্তনকে আমরা চট করে মেনে নিতে পারি না। বেঁধে দেয়া নিয়মে মানুষ যদি কলুর বলদের মতন ঘুরে তবে কোন কথা নেই সব সুন্দর। তবে প্রতিটা মানুষের ইচ্ছা অনিচ্ছা শারীরিক মানসিক ভাবে ভিন্ন জোড় করে চাপানো নিয়মের মাঝে তারা শান্তি পায় না । অনেকটা আপনি যাকে ভালোবাসেন না তার সাথে সংসার করার মতন। সমকামী বিষয়টা যুগযুগ ধরে কেন আছে পৃথিবীতে তবে যদি মানুষ ব্যাপারটা অন্য রকম না অনুভব করে? সবাই সমকামী নয় কেউ কেউ। আগে একটা সময় ছিল যখন মানুষ মুখ বুঝে নিয়ম মেনে চলেছে। কিন্তু এখন নিজের জীবন টাকে উপভোগ করে নিজের মতন মানুষ বাঁচতে চায়। তাই এই কথা বলা। উন্নতদেশগুলোতে সে সুযোগ এসেছে কিন্তু বাংলাদেশে ছেলে মেয়ের ভালোবাসাও এখনও মেনে নেয়া হয় না। কিন্তু পরকীয়া , লিভটুগেদার সব চলছে। তারা সমাজে মুখ দেখিয়ে বেড়ায়, বড় বড় কথা বলে মিথ্যাচার করে, অন্যের ঘরে অশান্তি তৈরী করে সব জেনে শুনেও তাদেরকে কেউ কিছু বলে না। এই মানসিকতায় সমকামীদের মানবে কেমন করে। কিন্তু সমকামীরা নিজেদের মধ্যে জীবন যাপন করবে, ক্ষতি করছে না কারো সেটা মানা যাবে না।
গে পেরডে গিয়েছি। অনেকের সাথে কথা বলে দেখেছি, ওরা ক্ষাতিকর নয় সমাজে। অনেক পরিবারে গে ছেলে মেয়েদের মেনে নিয়েছে এখানে অনেক আগে এখানেও আপত্তি ছিল। ওরা নিজেদের জীবনে বাঁচতে চায় আপনার আমার মতনই। জলবায়ু প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে যেমন মানুষের পছন্দ অপছন্দের পরিবর্তন হয় তেমনি কিছু মানুষ অন্য রকম অনুভব করেন। এটা তাদের জন্মগত ভাবে পাওয়া। তবে কিছু মানুষ ভণ্ডামি করে সুবিধা নেয়। সমকামীরা নিজের মতন বেঁচে থাকার সুবিধা পাক।
আই হেট দারাসিকে।
পৃথিবী বড়ই বিচিত্র। ভালোবাসাটাই আসল। সমকামিতা আমার কাছে কোন দোষ নয় যতক্ষণনা পর্যন্ত আপনি অন্যের প্রাইভেসি নষ্ট করছেন।
দেখে গেলাম। কমেন্ট গুলো সময় নিয়ে পড়লাম।
মতামত কি হবে, বুঝতে পারছি না।
শব্দপুঞ্জ আর অনীকের মন্তব্য পড়লাম। সমকামিতাকে এত দিন শুধু ঘৃণাই করে এসেছি, এরও যে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে জেনে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা সকলেরই উচিৎ।
কেউ যদি আলাদা পোস্ট দেন, তা'হলে সকলেই উপকৃত হয়। অহেতুক ভয়, ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, ইত্যাদি মানুষকে তার মনুষ্যত্ব থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। প্রকৃত বিষয়ে জানার অধিকার আছে সকলেরই, আর যাদের জানা আছে, জানাবার দায়িত্ব তাদেরই।
গত কাল এই পোস্টটি পড়ে বেশ বড়সড় একটি কমেন্ট লিখে পোস্ট দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে দুর্ভাগ্যক্রমে আমার পিসিটি রিস্টার্ট খায়। পরে আর নতুন করে কমেন্টটি লেখার ধৈর্য হয়নি। আজ তাই আবার আসলাম।
আমি আসলে একাকী একজনের এই পোস্টটি দেয়ার উদ্দেশ্যটি ঠিক ধরতে পারছি না। তার উদ্দেশ্য কি সহানুভূতি অর্জন ? সমকামীতা সম্পর্কে জনমত যাচাই ? সমকামীতার বৈধতা দাবী ? নাকি অনাবশ্যক বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হিট হওয়া ?
তিনি পাঠকদের কাছে কি প্রত্যাশা করছেন ? পাঠক পোস্টটি পড়ে তাকে করুনা করবেন ? সহমর্মিতা প্রকাশ করবেন? সমকামীতাকে সমর্থন করবেন ?
আমি মনে করি যৌনতা যে কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যাপার। তা যে কারো সঙ্গে যে কোন পদ্ধতিতেই হোক না কেন। জীবনের একান্ত ব্যাক্তিগত এই ব্যাপারটি বেডরুমের অন্তরালে থাকাটাই শ্রেয়। এটাকে ঢাকঢোল পিটিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করার মধ্যে কোন ক্রেডিট নেই।
শব্দপুঞ্জ বলেছেন সমাকামীতা জেনিটিক। নাঈফা চৌধুরী অনামিকা বলেছেন, কারো কারো জন্য হয়তো সমকামিতা পূর্ব-নির্ধারিত নয়, বরঞ্চ নিজের choice এর সাথে সম্পর্কিত। এই দুটি কারনের বাইরেও আরো দু'একটি কারন রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো sexual oppression. সাধারনত জেল খানা, মাদ্রাসা, হোস্টেল-এ জাতীয় জায়গা গুলোতে এই ধরনের ঘটনাগুলো ঘটে। শৈশবে কিংবা কৈশোরে সম লিঙ্গের কোন নিকটাত্মীয় কর্তৃক যৌন নিপীড়ন, কিংবা সমবয়সী অথবা অসম বয়সী কারো সঙ্গে একেই বিছানায় থাকা, দীর্ঘ দিন বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গ বঞ্চিত-এসব কারনেও আমাদের দেশে অনেকে গে বা লেসবিয়ান হয়। তাই পাশ্চাত্য এবং আমাদের দেশের সমকামীতার পেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন, একে এক করে দেখার কোন অবকাশ নেই। এদেশে সমকামীরা আরেক সমকামীকে ভালোবাসলে কিংবা তার সঙ্গে একসঙ্গে জীবন যাপন করলে আমি কোন সমস্যা দেখছি না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এরা অ-সমকামীদের মধ্যেও পার্টনার খোঁজার চেষ্টা করে, নিজেদের অভ্যেসটা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। বিশেষ করে শিশু কিশোরদের এরা প্রলুব্ধ করার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে জোর-জবরদস্তিও করে থাকে, যা অবশ্যই মারাত্মক অপরাধের পর্যায় পড়ে। সমকামীদের প্রতি যে যতই সহানুভূতিই প্রকাশ করুক না কেন, কেউ নিশ্চয় চাইবে না, তার কোন ভাই কিংবা বোন কোন সমকামীর পাল্লায় পড়ে গে কিংবা লেসবিয়ান হয়ে যাক। তাই আমি মনে করি সমকামীতা একটি সামাজিক ব্যাধি (দেশীয় পেক্ষাপটে), এর প্রতিকার প্রয়োজন।
লেখকের মন্তব্য
জনাব ঈশান মাহমুদ , আমি কোন সহানুভূতি চাইতে আসিনি, অধিকার আদায়ের সংগ্রামের নামিনি। এদেশে , এ সমাজে যে সমকামী আছে, তাঁদের একজন হয়ে বলতে এসেছি। আমার মনের কথা প্রকাশের জন্যই তো ব্লগে আসা , তাই নয় কি ?
শিশুদের সাথে যৌন আচরন করা অবশ্যই অন্যায়। তবে কারো সাথে জোর করে সেক্স করলেই যে সমকামী হয়ে যাবে - এটা ভুল ধারনা। সবাই নয়, কেউ কেউ সমকামী হয়। আর যদি এই দোষে সমকামীতা ব্যাধি হয় , তাহলে যে সব পাষন্ড ছোট ছোট মেয়েদের ধর্ষন করছে , সেটাও অবশ্যই ব্যাধি। তো আপনি সেই ব্যাধি রোধ করবেন কি করে ?
কেন যেন সমকামীতা ব্যাপারটাকে স্বাভাবিক সেক্সুয়াল আচরণের চেয়ে পৃথক কিছু মনে হয় না। কিংবা যদি খানিকটা পৃথক হয়েও থাকে, তবু সেটা নেতিবাচক নয় কখনোই। আমাদের দেশে মাদ্রাসাগুলোতে পেডোফিলিয়া হিসেবে যেটা ঘটে থাকে সেটা অবশ্যই খুবই নোংরা এবং ঘৃণ্য ব্যাপার, কিন্তু তাই বলে শুধুমাত্র সমকামীতা (ফোর্সফুল নয়, পারষ্পরিক সম্মতিমূলক) কে খারাপ ভাববো কেন? নাহ, অন্ততঃ আমার চিন্তাধারা ওরকম না।
মন্তব্য করুন